মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

ঈশ্বরদী ইপিজেড

রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা সংক্ষেপে ইপিজেড ঈশ্বরদী উপজেলা সদর হতে প্রায় ৬ কিঃ মিঃ দক্ষিণে অবস্থিত। বেপজা’র উচ্চ পর্যায়ের কমিটি কর্তৃক এলাকাটি ইপিজেড প্রকল্প হিসেবে অনুমোদন প্রাপ্ত হয়। সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এরূপ একটি প্রকল্প উত্তরবঙ্গে এই প্রথম। প্রকল্পভূক্ত এলাকার জমির পরিমাণ ১২৮.৪৬ একর, প্রশাসনিক এলাকা ১৮.৮৫ একর, আবাসিক এলাকা ৩৬.৯৫ একর। এছাড়াও ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের কার্যক্রমভূক্ত এলাকা ১২৪.৭১ একর। এপ্রিল, ২০০৫ মাসে এ জোনটির কার্যক্রম শুরু হয়। ১ম ফেজে প্লট সংখ্যা ১৫৮টি, প্রত্যেক প্লটের পরিমাণ ২০০০ বর্গ কিঃমিঃ। ১৩১টি প্লট বিভিন্ন ইনভেস্টরকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ২টি প্লট ইনভেস্টরদেরকে বরাদ্দ দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ৬টি প্লট সংরক্ষিত রয়েছে এবং ১৯টি প্লট খালি রয়েছে। বর্তমানে ৫টি শিল্প কারখানা চালু রয়েছে এবং ৬টি কারখানা নির্মাণাধীন এবং বাস্তবায়নাধীন আছে। ২০০৯ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত ১৪,৫৪৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার এ জোনে ইনভেস্টমেন্ট করা হয়েছে। ৭.৩ মিলিয়ন ইউএস ডলার পরিমাণ উৎপাদিত দ্রব্য রপ্তানী করা হয়েছে। স্থানীয় ১১০৭ জন কর্মচারী এ জোনে নিয়োগ করা হয়েছে। এ ইপিজেড- টিতে কাস্টমস্ অফিস, নিরাপত্তা অফিস, জোন সার্ভিসেস কমপ্লেক্স, মেডিকেল সেন্টার, ফায়ার স্টেশন, পুলিশ ক্যাম্প, নিরাপত্তা ব্যারাক, রেস্ট হাউস, নিজস্ব টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, গ্যাস বিতরণ অফিস এবং ব্যাংকিং সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে দেশীয় এন্টারপ্রা্ইজ ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, চীন, হংকং, তুর্কিস্তান এবং ভারতের এন্টারপ্রাইজ রয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান মিল কারখানা হতে উৎপাদিত দ্রব্যগুলো হল তামার তার, এংলো এবং ফ্লাট টিউব, সোয়েটার, পলিথিন দ্রব্য, গার্মেন্টস পোষাক, পলিস্টার, প্লাস্টিক দ্রব্য, মোজা, ব্যাটারী, বিদ্যুৎ, তুলা, ফ্যাব্রিক্স প্রভৃতি। বিদেশী উদ্যোক্তাগণ জোনটি পরিদর্শন করে বিনিয়োগে বেশ আগ্রহী হচ্ছেন। বর্তমানে ঈশ্বরদী বিমান বন্দরটি বন্ধ রয়েছে। বিমান বন্দরটি চালু হলে বিদেশী উদ্যোক্তাদের সংখ্যা আরো বৃদ্ধি পাবে এবং এ এলাকাটি এদেশের বেশ লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে বলে ঈশ্বরদীবাসী মনে করেন।